বুধবার, ১৫ Jul ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
বিনোদন ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : করোনার আঘাতে জবুথুবু শোবিজ ইন্ডাস্ট্রিও। সাবধানতা অবলম্বন করে হলিউড, বলিউড এমনকি এ দেশেও বন্ধ সিনেমা, নাটক কিংবা ওয়েব সিরিজের শুটিং। হলিউড ইন্ডাস্ট্রির বেশ কয়েকজন তারকা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। কোয়ারেনটাইনে ঘরে বন্দি অসংখ্য তারকা। তাই কারো হাতে নেই কাজ। এছাড়া বাংলাদেশ তো বটেই অনেক দেশেই অসংখ্য সিনেমা হল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব প্রেক্ষাগৃহে কাজ করতেন হাজার হাজার কর্মী। তাদের অনেকে অবৈতনিক ছুটিতে, কেউ কেউ চাকরিও হারিয়েছেন।
ভারতের দিল্লীর অসংখ্য সিনেমা হলের সব কর্মীকে ছাটাই করে সকল শো বাতিল করা হয়েছে। অজয় পাল নামের এক প্রেক্ষাগৃহের কর্মী বলেছেন, ‘করোনার কারণে হল তো বন্ধ হয়েছেই। আমাদর চাকরিটাও গেছে। তবে চালু হলে আবার ডাকা হবে বললো। কিন্তু এতদিন খাবো কী?’
হলিউডে কাজ করেন অসংখ্য ফ্রিল্যান্সার কর্মী। কেউ সিনেমাটোগ্রাফার, কেউ মেকআপ আর্টিস্ট, অনেকে কাজ করেন সহকারি পরিচালক হিসেবেও। ইসাবেলা ওলাগুয়েরা নামের এক সহকারী পরিচালক বলেন, ‘অন্যান্য বছরে এই সময়ে কোনো সিডিউল ফাঁকা ছিল না, বরং অনেক কাজ সময়ের কারণে করতে পারিনি। অথচ এখন হাতে কোনো কাজই নেই।’ ‘অন্য ফ্রিল্যান্সাররা কি একটু নার্ভাস?’ প্রশ্নটা তিনি ফেসবুকে শেয়ার করেন। তার এ পোস্টে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন এবং অনেকেই পোস্টের কমেন্টে গত কয়েক দিনে নিজেদের চাকরি হারানোর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
মিউট কর্বো ইতালিয়ান সিনেমায় কাজ করেন মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে। এখন তিনি কোয়ারান্টাইনে আছে। টুইটারে তিনি লেখেন, ‘কখনও ভাবিনি এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে। মনে হচ্ছে সব শেষ হয়ে গেল।’
বেকারত্ব বাড়ায় শোবিজ প্রতিষ্ঠান ফান্ড গঠন করেছে। তা সত্ত্বেও কিছু কর্মী হঠাত্ করেই ভয়ংকর অবস্থায় পড়েছেন, যা হলিউড, বলিউড কিংবা অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির কর্মীদের জন্য আর্থিক ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক অভাবকে প্রকাশ করে। করোনাভাইরাস চলমান প্রকল্পগুলোর বন্ধের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও ব্যাপক প্রভাব ফেলছে।
নগরকন্ঠ.কম/এআর